কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬ এ ১২:২৯ PM
কন্টেন্ট: পাতা
কেন্দ্রীয় তহবিলের পরিচিতি
পরিচিতিঃ
শতভাগ রপ্তানীমুখী শিল্প সেক্টরের জন্য বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ২৩২(৩) ধারা ও শ্রম বিধিমালা ২০১৫ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। উক্ত তহবিল পরিচালনার জন্য একটি পরিচালনা বোর্ড রয়েছে। কেন্দ্রীয় তহবিলের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শতভাগ রপ্তানীমুখি শিল্প সেক্টরে কর্মরত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
কৌশলগত উদ্দেশ্য সমূহঃ
১। শ্রমিক ও শ্রমিকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ;
২। শ্রমিকের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখা;
৩। শ্রমিকের মেধাবী সন্তানের লেখাপড়ায় আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেধা বিকাশে ভূমিকা রাখা।
৪। কর্মরত অবস্থায় দুর্ঘটনায় কোন শ্রমিকের মৃত্যু ঘটলে অথবা স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটলে তার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান।
তহবিলের অর্থের উৎসঃ
শ্রম বিধিমালা অনুযায়ী ‘কেন্দ্রীয় তহবিল’-এর অর্থের উৎসসমূহ নিম্নরূপ -
(ক) শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কার্যাদেশের বিপরীতে প্রাপ্ত মোট অর্থের ০.০৩%;
(খ) কার্যাদেশ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছা অনুদান;
(গ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত স্বেচ্ছা অনুদান;
(ঘ) দেশি-বিদেশি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক স্বেচ্ছা অনুদান; এবং
(ঙ) তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত মুনাফা।
সেবা প্রদানের খাত সমূহ
সুবিধাভোগী কল্যাণ হিসাব’ হতে-
১. কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত কারণে অথবা পেশাগত রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে অথবা পরবর্তীতে মৃত্যু ঘটলে অথবা কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত কারণে অথবা পেশাগত রোগে আক্রান্ত হয়ে স্থায়ী অক্ষমতা ঘটলে সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগী বা তার উপযুক্ত উত্তরাধিকারী ও পোষ্যকে ৩,০০,০০০/- টাকা অনুদান প্রদান;
২. কোন সুবিধাভোগী চাকরিরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে বা কর্মক্ষেত্রের বাইরে কোন দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ অথবা স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে গেলে তিনি বা তার উপযুক্ত উত্তরাধিকারীকে ২,০০,০০০/- (দুইলক্ষ) টাকা অনুদান প্রদান;
৩. কোন সুবিধাভোগী কর্মকালীন দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে তার কোন অঙ্গহানি ঘটলে যা স্থায়ী অক্ষমতার কারণ না হলে তাকে অনধিক ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা অনুদান প্রদান; এবং
৪. এছাড়া, অসুস্থ সুবিধাভোগীদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান, পরিবারের মেধাবী সদস্যকে শিক্ষার জন্য বৃত্তিপ্রদান, সামাজিক নিরাপত্তামূলক সুবিধা হিসেবে বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন এবং বাংলাদেশ শ্রম আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন।
আপদকালীন হিসাব হতে-
১. কোন কারখানা বা প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর বা স্থায়ীভাবে বন্ধ হলে বোর্ড কর্তৃক সুবিধাভোগীদের পাওনা অর্থের সমুদয় বা আংশিক পরিশোধ;
২. সুবিধাভোগীদের গ্রুপ বীমার বাৎসরিক প্রিমিয়ামের অর্থ প্রদান; এবং
৩. সুবিধাভোগীদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের জন্য স্বাস্থ্য বীমা চালুকরণ।